[ Make your Homepage ]

Any problem of viewing BANGLA fonts (e.g. small size, topsy-turvy etc.) please CLICK HERE then save the font to C:\WINDOWS\Fonts\  and Use Internet Explorer for browsing.

The site for the 19.2 lakh peoples of  Kushtia.

    | প্রথম পাতা | এক নজরে | ইতিহাস | দর্শনীয় স্থান | ব্যক্তিত্ত্ব | শিক্ষা | শিল্প | স্বাস্থ্যসেবা | সংবাদপত্র | যাতায়াত |
     | থাকা-খাওয়া | বিনোদন | কেনা-বেচা | সরকারী সেবা | সংগঠন | গ্যালারী | মুক্তিযুদ্ধ | লেখালেখি |   

বিনোদন

কুষ্টিয়াবাসীর বিনোদনের ব্যবস্থা তিন ভাগে বিভক্ত – মিডিয়া ভিত্তক, প্রাকৃতিক স্থান ভিত্তিক, শিক্ষা ভিত্তিক ।



মিডিয়া ভিত্তিক

( তথ্যসূত্র : জেলা তথ্য অফিস, কুষ্টিয়া। )

সচল সিনেমা হলঅবস্থান
বনানী সিনেমা হলকুষ্টিয়া সদর
আঁখি সিনেমা হলকুষ্টিয়া সদর
রকসী সিনেমা হলকুষ্টিয়া সদর
পান্না টকিজ সিনেমা হলহরিনারায়নপুর, কুষ্টিয়া।
অপর্না সিনেমা হলখোকসা, কুষ্টিয়া।
সুবর্না সিনেমা হলখোকসা, কুষ্টিয়া।
রূপাঞ্জলী সিনেমা হলভেড়ামারা, কুষ্টিয়া।
লাবনী সিনেমা হলভেড়ামারা, কুষ্টিয়া।
আশা সিনেমা হলতারাগুনিয়া, দৌলতপুর, কুষ্টিয়া।
শাপলা সিনেমা হলকুমারখালী, কুষ্টিয়া।

শিক্ষা ভিত্তিক

• পাবলিক লাইব্রেরী
• সরকারী গ্রন্থাগার
• গণ উন্নয়ন গ্রন্থাগার

প্রাকৃতিক স্থান ভিত্তিক

• রেনউইক বাঁধ
• কলেজ মাঠ
• জিয়া শিশু পার্ক
• কামরুল ইসলাম শিশু পার্ক

রেনউইক বাঁধ

ডবলিউ বি রেনউইক নামে জনৈক স্কটিশ ভদ্রলোক রাজশাহী জেলার বাগাতী পাড়া থানার লক্ষণ হাটি নামক স্থানে ১৮৮১ সালে মেসার্স রেনউইক এন্ড কোম্পানী নামে ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানাটি প্রথম প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯১৪ সালে এই প্রতিষ্ঠানটি একটি লিমিটেড কোম্পানীতে রুপান্তরিত হয়। চিনি কলের যাবতীয় খুচরা যন্ত্রাংশ, কৃষিযন্ত্র, আখ মাড়াই কল ও তার যন্ত্রাংশ এই কারখানায় তৈরী করা হয়।

ব্যবসা বানিজ্যের প্রসার এবং তৈরী যন্ত্রের ব্যাপক ব্যবহারের উদ্দেশ্যে রেনউইক একই নামে কুষ্টিয়া জেলায় ১৯১৪ সালে আরো একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। তখন থেকেই কুষ্টিয়ার এই কারকানাকেই তাঁর কোম্পানীর প্রধান অফিস এবং রাজশাহীর লক্ষণহাটি অফিসকে এর শাখা অফিস হিসাবে গন্য করা হয়, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে প্রতিষ্ঠানটিকে জাতীয়করণ করা হয় এবং জাহাজ নির্মাণ সংস্থার অধীনে ন্যস্ত করা হয়। ১৯৭৩ সালে কারখানাটি বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প সংস্থাধীনে নেয়া হয়।

এই মিলের উত্তর দিক সংলগ্ন গড়াই নদী। নদীর তীরবর্তী বাঁধ এবং এর সঙ্গেই মিলে পতিত জমিতে লাগনো মনোরম বৃক্ষ শোভিত স্থানটি কুষ্টিয়ার অন্যতম দর্শনীয় স্থান। প্রতিদিন অসংখ্য দর্শনার্থী এখানে আসেন। নদীর তীরে এই স্থানটি শহরের মানুষের কাছে অবসর বিনোদনের জন্য জনপ্রিয়।

এই স্থানটির একটি বিশেষত্ব এখান থেকে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত দুইই দেখা যায়। এই দুই সময়েই এখানে লোক সমাগম বেশি হয়। বর্তমানে বাঁধের পশ্চিমে নদীর বাঁকে বাঁধটি বর্ধিত করা হয়েছে। আরো বেশি সৌন্দর্য বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে। এই বাঁধটি রেনউইক বাঁধ নামে পরিচিত ।

এক কিলোমিটার পূর্বে থানাপাড়াতে ২য় এবং এক কিলোমিটার পশ্চিমে ৩য় বাঁধ রয়েছে।


জিয়া শিশু পার্ক

মজমপুর এলাকায় সার্কিট হাউজের সামনে অবস্থিত পার্কটির দক্ষিণে জর্জকোর্ট, ডিসি কোর্ট, পূর্বে ফুড অফিস ও প্রধান ডাকঘর। পশ্চিমে কুষ্টিয়া ঝিনাইদহ সড়ক। প্রধান সড়ক থেকে পূর্বে শহরে যাবার পার্ক সংলগ্ন রাস্তার মোড়টি বীর মুক্তিযোদ্ধা বাহাউদ্দিন এর নামে নামকরণ করা হয়েছে। পার্ক অনেকদিন ভগ্ন পতিত অবস্থায় থাকলেও পরবর্তীতে এর অনেক উন্নয়ন করা হয়েছে।

এখানে বিভিন্ন উৎসব উপলক্ষে দর্শনার্থীদের ভিড় হয়, পার্ক চত্বরে শিশুদের সাঁতার প্রশিক্ষনের জন্য একটি সুইমিং পুল রয়েছে। একটি পুকুর ও এর চার পাশে পাছপালা ঘেরা জায়াগায় বিভিন্ন প্রানীসহ বাংলার ঐতিহ্যবাহী বাউল গায়কের ভাষ্কর্য রয়েছে। মূলত এগুলোই পার্কটির আকর্ষণ।

এখানে কোন রাইড নেই এবং প্রবেশ মূল্যও দিতে হয় না।


কামরুল ইসলাম সিদ্দিক শিশু পার্ক

কুষ্টিয়া শহরের কেন্দ্রে কামরুল ইসলাম সিদ্দিক শিশুপার্ক অবস্থিত। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল এবং শহরের আবাসিক এলাকার নিকটবর্তী হওয়ায় পার্কটিতে প্রতিদিন সব বয়সীদের ভিড় হয়। কুষ্টিয়া জেলার বাইরের অঞ্চল থেকেও দর্শনার্থী আসে এই পার্কটিতে।

পার্কটিতে বেশ কয়েকটি রাইড রয়েছে। কেবলকার ও থ্রিডি সিনেমা বাদে সব রাইড ও প্রবেশ মূল্য ৫টাকা, কেবলকার ও থ্রিডি সিনেমার টিকিটের ফি ১০টাকা।

পার্কটিতে বিভিন্ন জাতের পাখি ও পায়রার পাশাপাশি বাড়তি আকর্ষণ হিসেবে রয়েছে হরিণ ও বানর।

কুষ্টিয়া পৌরসভার তত্ত্বাবধানে পার্কটি পরিচালিত হয়। ছুটির দিন গুলিতে এবং ঈদ, পহেলা বৈশাখ প্রভূতি উপলক্ষে এই পার্কটিতে বিপুল পরিমানে দর্শনার্থী ও শিশু, কিশোরদের আগমন ঘটে।

Send your Advice to sabbir_iu@yahoo.com